
মো. ইকবাল হোসেন
মো. ইকবাল হোসেন
সকল লেখা

ঈদে খাবারের আয়োজন যেমন হতে পারে
ঈদের খাবারের আয়োজনে বেশি বৈচিত্র্য থাকে। সে জন্য বেশি খাওয়া হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসে একটা ছন্দপতন হয়। ফলে পেটের রোগসহ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই ঈদের দিনেও বেশি খাওয়া শরীরের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়।

সবার জন্য নিরাপদ ইউএইচটি তরল দুধ
পুষ্টিগুণে ভরপুর খাওয়ার দুধ। ভিটামিন সি ও আয়রন ছাড়া প্রায় সব পুষ্টি উপাদানই দুধে উপস্থিত থাকে। ফলে এটিকে আদর্শ খাবার বলা হয়। প্রত্যেক মানুষের পুষ্টির বড় অংশ পূরণে প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ মিলিলিটার দুধ বা দুধের তৈরি খাবার খাওয়া উচিত।

সবজির সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ যেভাবে পাবেন
সুষম খাবারের ৬টি উপাদানের প্রধানতম হলো ভিটামিন ও খনিজ লবণ। এগুলো আমাদের শরীরের চালিকাশক্তির উল্লেখযোগ্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত। শরীরের প্রতিটি অঙ্গের সুরক্ষায় একেক ধরনের ভিটামিনের প্রয়োজন হয়। যেমন চুল ও চোখের সুরক্ষায় ভিটামিন এ, ত্বক সুরক্ষায় ভিটামিন বি এবং সি, হাড় ও দাঁতের সুরক্ষায় ভিটামিন ডি প্রয়োজ

হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা নিজের হাতে
আগামীকাল অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার বিশ্ব হার্ট বা হৃৎপিণ্ড দিবস। এ দিবসের আগে জেনে রাখুন, হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা নিজের হাতে। এককথায় বললে, হৃৎপিণ্ড ঠিক রাখতে লাইফস্টাইলে বদল আনুন।

ডায়েটে কি শর্করা বাদ দেওয়া উচিত
খাবার কাজে লাগিয়ে শরীরের কোষ যে শক্তি উৎপন্ন করে, তাই আমাদের চালিকাশক্তি। খাবারের প্রধান উপাদান ছয়টি—শর্করা, আমিষ বা প্রোটিন, স্নেহ-পদার্থ, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ , খনিজ লবণ ও পানি।

শিশুর খাবারে অরুচি হয় কেন
আজকের শিশুকে আগামীর কান্ডারি হতে হলে অবশ্যই সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে হবে। আর শিশুর সুস্থ স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য চাই রুটিন অনুসারে সুষম খাবার।

দুর্গত এলাকায় পুষ্টিকর খাবার দিন
এখন বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি কমছে। মানুষ গুছিয়ে নিতে শুরু করেছে নিজের ঠিকানা। এ সময় নিয়মিত খাবারের সঙ্গে একটু বাড়তি কিছু যোগ করলে তার ফল হবে ইতিবাচক। যাঁরা এখনো ত্রাণ দিতে যাচ্ছেন বা দীর্ঘ মেয়াদে যাঁরা ত্রাণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা এ বিষয়গুলো সমন্বয় করে নিতে পারেন।

বন্যা-পরবর্তী সময়ে জীবনযাপন
বন্যার সময় তো বটেই, পরবর্তী সময়েও আক্রান্ত এলাকার বাসিন্দাদের শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এ সময়ে জীবনযাপনে আনতে হয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

গ্যাস্ট্রিকে যে খাবার খাবেন না
তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক জটিলতা বাড়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। এ সমস্যা কমিয়ে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখতে
পরিপাক হচ্ছে একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। খাবার মুখের মধ্যে প্রবেশের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরিপাকের চূড়ান্ত পর্যায় হলো কোলন।প্রোটিন পরিপাক শুরু হয় পাকস্থলী থেকে আর শেষ হয় বৃহদন্ত্রে।

বর্ষায় শাক খাওয়ায় সতর্কতা
আমাদের দেশ ষড়্ঋতুর। ঋতুর ভিন্নতার কারণে আমাদের খাদ্যে বৈচিত্র্য বেশি। এখানে ছয় ঋতুতে আলাদা আলাদা খাদ্যের উপকরণ পাওয়া যায়। এগুলোর প্রতিটিই পুষ্টি উপাদানে পরিপূর্ণ। এই খাবারগুলো প্রতিটি ঋতুতে আমাদের শরীরকে রোগ-জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।

গরু ও খাসির মাংস খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি
লিভার বা যকৃৎ আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ অঙ্গ। এটি বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। লিভারের নানা ধরনের রোগের মধ্যে আমাদের দেশে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারই বেশি দেখা যায়। এর প্রধান কারণ স্থূলতা, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব।

লিচু কেন খাবেন, কীভাবে খাবেন
আমাদের দেশে প্রতিটি ঋতু বৈচিত্র্যময়। শীতের বৈচিত্র্য যেমন পিঠাপুলি, গ্রীষ্মের বৈচিত্র্য তেমনি ফল। গ্রীষ্মের এই কাঠফাটা গরমে শরীরে ও মনে প্রশান্তি দেয় এ সময়ের বাহারি ফল। এগুলো যেমন মিষ্টি, তেমনি পুষ্টিকর।

সঠিক খাবার কমাতে পারে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা
বৈশাখের দাবদাহে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাপন। তাপমাত্রার পারদ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শারীরিক জটিলতাও বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। গরমের সঙ্গে এটি অস্বস্তির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়। এ সমস্যা কমিয়ে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

এই সময়ে সুস্থ থাকতে যেমন খাবার খাবেন
গরমে সুস্থ থাকার জন্য সঠিক খাবারের ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় এমন খাবার খেতে হবে, যা শরীরে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করবে না। সেই সঙ্গে শরীরে পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করবে। এই গরমে শরীরে এই ভারসাম্য খুবই জরুরি।

স্বাস্থ্যকর সাহ্রি বিষয়ে যে তথ্যগুলো জানতে হবে
প্রায় ১৪ ঘণ্টা রোজা রেখে শরীর সতেজ রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং। আর ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা বেশি কঠিন হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একটি অন্যতম অংশ হচ্ছে স্বাস্থ্যকর সাহ্রি। আপনি যদি সঠিক নিয়মে, সঠিক খাবার দিয়ে সাহ্রি করেন, তাহলে খুব সহজে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবেন। এর জন্য কিছ
